ব্যকরণ

হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে, কাজ করে যাও গোপনে গোপনে। [ভাবসম্প্রসারণ]

হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে, কাজ করে যাও গোপনে গোপনে। [ভাবসম্প্রসারণ]

হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে, কাজ করে যাও গোপনে গোপনে।

হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে কাজ করে যাও গোপনে গোপনে।
মূলভাব: অতীত কখনো মুছে যায় না। অতীতের প্রভাব বর্তমান ও ভবিষ্যতের উপর এসে পড়ে। তবে তা গোপনে। দূরদৃষ্টি দিয়ে দেখলে কেবল তা বোঝা যায়।
সম্প্রসারিত ভাব: অতীতের অবসান ঘটলেও মানব চোখ তা প্রকৃত নয়। বর্তমান ও ভবিষ্যতের ওপর এর প্রভাব বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের ওপর নির্ভর করেই গড়ে ওঠে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সাফল্য। তাই অতীতের প্রভাব অস্বীকার করার উপায় নেই। নানা জাতির সমন্বয়ে বর্তমান পৃথিবী। প্রতিটি জাতিই তাঁদের অতীত জীবনের জয়গাঁথা নিয়েই অগ্রসর হয় উন্নতির পথে। রচনা করে তাঁদের গৌরবগাথাঁ। কাজেই কোনো জাতির বর্তমান সভ্যতা, সংস্কৃতি ধরামীয় রীতি-নীতি সকল অতীতেরই ফলস্বরুপ। মানুষ যখন নিজ নিজ অস্তিত্ব হারাতে বসে, তখন পথ নির্দেশনা স্বরুপ আকঁড়িয়ে ধরে আপন অতীত ইতিহাসকে। অতীত সমাগত বর্তমানে উত্তরণের সিঁড়ি এবং অনাগত ভবিষ্যতের পথ পরিক্রমার সেতুবন্ধন। কাজেই জীবনকে উন্নতির পথে চালনা করবার জন্য অতীতের প্রভাবকে অগ্রাহ্য করবার উপায় নেই। অতীতের শিক্ষা থেকেই ভবিষ্যতের দিকে এগুতে হবে। অতীতের কর্মই ভবিষ্যতের পাথেয়। এ কথাটি মনে রাখতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button