ভাবসম্প্রসারণ

দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলে ,আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি? ভাবসম্প্রসারণ

দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলে ,আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?

দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলে ,আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?   ভাবসম্প্রসারণ


ভাব সম্প্রসারণ : মানুষের জীবনে সত্য-মিথ্যা ,ভালো-মন্দ,এক্ষএ জড়িয়ে আছে ।একটিকে ছাড়া অপরটিকে যথাযথ উপলদ্ধি করা যায় না বলে উভয়েই পরিপুরক ।তাই জীবনের প্রয়োজনে সত্য-মিথ্যা চিরন্তন ।পৃথিবীতে যারা মিথ্যা ও ভুল-ভ্রান্তিকে বাদ দিয়ে কেবল সত্য লাভের পথ খোঁজে তারা কখনোই সত্যের নাগাল পায় না ।বস্তুত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই সত্য এবং মিথ্যাকে ,ভ্রান্তি এবং অভ্রান্তিকে চিনে দিতে হবে ।

সত্যই জীবন ,সত্যই আলো-পৃথিবীতে মানুষ চায় মিথ্যার কুহকে পথভ্রান্ত না হতে ,তার একান্ত কাম্য ‍ও লক্ষ্য ‘সত্য’কিন্তু সত্যকে সহজে পাওয়ার ও চেনার কোনো পথ নেই ‘ কেননা সত্য এমন কোন বিশুদ্ধ ধারনা নয় যে তাকে অষ্টেপৃষ্ঠ জড়িয়ে জীবনের সকল গতিবিধিকে নিয়ন্তন করতে হবে ।সত্য হলো একটি আপেক্ষিক ধারণা।জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যাকে চিনে নেওয়া যায়। দিনকে যেমন রাতের সঙ্গে তুলনা করেই চেনা যায়,তাপকে যেমন শৈত্যের সঙ্গে তুলনা করে অনুভব করা যায় ,সত্যকে ও তেমনি মিথ্যার পাশাপাশি রেখেই উপলদ্ধি করতে হয় ।ভূল বা মিথ্যা মানবজীবনের অনিবায একটি ঘটনা ।তাকে স্বীকার করেই তাকে অতিক্রম করতে হয় এড়িয়ে গিয়ে নয় ।মানবজীবনের একেকটি ভুল মানুষকে এক বা একাধিক সত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় ।পার্থিব জগতে সত্য ও মিথ্যার রয়েয়ে পাশাপাশি অনস্থান ।সত্য –মিথ্যা পারস্পর এমন অবিচ্ছেদ্য যে ,নিরবচ্ছিন্ন সত্য এবং মিথ্যাকে পৃথক পৃথকভাবে উদঘাটন করা সম্ভবপর নয় ।জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞাতায় দুর্গম পথে চলতে চলতে এ-সব ভুলভ্রান্তি ও মিথ্যাকে অপসারিত করেই মানুষকে সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয় ।অজস্র ভুলভ্রান্তিকে অতিক্রম করলেই যথার্থ সত্যের সন্ধান মেলে ।যেমন অন্ধকারর মধ্যেই আলোর উজ্জ্নলতা ধরা পড়ে ,তেমনি ভুল ভ্রান্তির মোহাবরণকে ছিন্ন করেই সত্যের জ্যোতির্ময় রূপ ধরা পড়ে ।শিশু যেমন আছাড় খেতে খেতে হাঁটতে শেখে,মানুষও তেমনি ভুলভ্রান্তির মধ্য দিয়ে সত্যকে চিনে নেয় ।জীবনের সকল দ্বার ‍রূদ্ধ করে দিলে হয়ত ভ্রান্তিকে ঠেকানো যায়,কিছু সত্যকে পাওয়া যায় না ।আকরিক ধাতু যেমন মাটির সঙ্গে মিশে থাকে ,মাটি পরিষ্কার করে তাকে পেতে হয়,জীবনের পথেও তেমনি সত্য আর মিথ্যা মিশে আছে ।জীবন-অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হয় ।এ জন্যে কাঙ্কিত হিরণ্ণয় সত্য উদঘাটনে বাস্তবের কঠেন ও দুর্গম পথে প্রয়োজন নিঃশঙ্ক দীপ্ত পদচারণা ।

ছোটখাটো ভুলভ্রান্তি সত্যকে পাওয়ার পথে প্রতিবন্ধক বা অন্তরায় নয়,বরং ভুলভ্রান্তি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেই মানুষ প্রকৃত সত্যকে উদঘাটন করে ।

 দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলে ,আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?

ভাব সম্প্রসারণ ; মিথ্যা ও ভুলভ্রান্তিকে রুখতে মনের ঘরের দরজাগুলো বন্ধ করে রাখলৈ,তাতে সত্যও প্রবেশ করতে পারব না ।প্রকৃত সত্যকে জানাতে হলে মিথ্যাকে ও চিনতে হবে ।কারণ জগতের মাঝে সত্য-মিথ্যা ভালোমন্দ একসাথে মিলেমিশে থাকে ।

পার্থিব জগতে সত্য ও মিথ্যার রয়েছে পাশাপাশি সহাবস্থান।সত্য ও মিথ্যা পরস্পর এমন অবিচ্ছেদ্য যে,নিরবচ্ছিন্ন সত্য ওমিথ্যাকে পৃথক পৃথতকভাবে উদঘাটন করা সম্বব নয় ।আলোর সঙ্গে অন্ধকার যেমন সম্পক্তৃ ,তেমনি সত্যও নানা ভুলভ্রান্তি মিথ্যা দ্বারা আবৃত ।জীবনে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দুর্গম পথে চলতে চলতে এসব ভুলভ্রান্তি ও মিথ্যাকে অপসারিত করেই মানুষকে সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয় ।অজস্র ভুল ভ্রান্তিকে অতিক্রম করলেই যথার্থ সত্যের সন্ধান মেলে ।যেমন –অন্ধকারের মধ্যেই আলোর উজ্জলতা দরে পড়ে ,তেমনি ভ্রান্তির মোহাবরনকে ছিন্ন করলেই সত্যের জ্যোতির্ময় রূপ ধরা পড়ে ।শিশু যেমন আছাড় খেতে খেতে হাঁটতে শেখে ,মানুষ তেমনি ভুলভ্রান্তির মধ্য দিয়ে সত্যকে চেনে নেয় ।জীবনের সব দ্বার বন্ধ করে হয়েতো ভ্রান্তিকে ঠেকানো যায়,কিন্তু সত্যকে পাওয়া যায় না ।আকরিকে যেমন কোনো একটি মূল্যবান ধাতু অন্যান্য সাধারণ অপজাত ধাতুর সাথে মিশে থাকে,সেসব অপ্রয়োজনীয় ধাতুকে পরিষ্কার করে তাকে পেতে হয় ,জীবনের পথেও তেমনেই সত্য আর মিথ্যা মিশে আছে ।গভীর জীবন –অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হয় ।অজস্র ভুলই প্রকৃত সত্যকে চিনিয়ে দেয় ।ভুলভ্রান্তি সত্যকে পাওয়ার পথের প্রতিবন্ধক বা অন্তরায় নয়;বরং ভুলভ্রান্তি হতে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেই মানুষ প্রকৃত সত্যকে উদঘাটন করে । 

দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলেেআমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি।

ভাব সম্প্রসারণ : মানুষের জীবনে সত্য-মিথ্যা ,ভালো-মন্দ,এক্ষএ জড়িয়ে আছে ।একটিকে ছাড়া অপরটিকে যথাযথ উপলদ্ধি করা যায় না বলে উভয়েই পরিপুরক ।তাই জীবনের প্রয়োজনে সত্য-মিথ্যা চিরন্তন ।পৃথিবীতে যারা মিথ্যা ও ভুল-ভ্রান্তিকে বাদ দিয়ে কেবল সত্য লাভের পথ খোঁজে তারা কখনোই সত্যের নাগাল পায় না ।বস্তুত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই সত্য এবং মিথ্যাকে ,ভ্রান্তি এবং অভ্রান্তিকে চিনে দিতে হবে ।

সত্যই জীবন ,সত্যই আলো-পৃথিবীতে মানুষ চায় মিথ্যার কুহকে পথভ্রান্ত না হতে ,তার একান্ত কাম্য ‍ও লক্ষ্য ‘সত্য’কিন্তু সত্যকে সহজে পাওয়ার ও চেনার কোনো পথ নেই ‘ কেননা সত্য এমন কোন বিশুদ্ধ ধারনা নয় যে তাকে অষ্টেপৃষ্ঠ জড়িয়ে জীবনের সকল গতিবিধিকে নিয়ন্তন করতে হবে ।সত্য হলো একটি আপেক্ষিক ধারণা।জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যাকে চিনে নেওয়া যায়। দিনকে যেমন রাতের সঙ্গে তুলনা করেই চেনা যায়,তাপকে যেমন শৈত্যের সঙ্গে তুলনা করে অনুভব করা যায় ,সত্যকে ও তেমনি মিথ্যার পাশাপাশি রেখেই উপলদ্ধি করতে হয় ।ভূল বা মিথ্যা মানবজীবনের অনিবায একটি ঘটনা ।তাকে স্বীকার করেই তাকে অতিক্রম করতে হয় এড়িয়ে গিয়ে নয় ।মানবজীবনের একেকটি ভুল মানুষকে এক বা একাধিক সত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় ।পার্থিব জগতে সত্য ও মিথ্যার রয়েয়ে পাশাপাশি অনস্থান ।সত্য –মিথ্যা পারস্পর এমন অবিচ্ছেদ্য যে ,নিরবচ্ছিন্ন সত্য এবং মিথ্যাকে পৃথক পৃথকভাবে উদঘাটন করা সম্ভবপর নয় ।জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞাতায় দুর্গম পথে চলতে চলতে এ-সব ভুলভ্রান্তি ও মিথ্যাকে অপসারিত করেই মানুষকে সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয় ।অজস্র ভুলভ্রান্তিকে অতিক্রম করলেই যথার্থ সত্যের সন্ধান মেলে ।যেমন অন্ধকারর মধ্যেই আলোর উজ্জ্নলতা ধরা পড়ে ,তেমনি ভুল ভ্রান্তির মোহাবরণকে ছিন্ন করেই সত্যের জ্যোতির্ময় রূপ ধরা পড়ে ।শিশু যেমন আছাড় খেতে খেতে হাঁটতে শেখে,মানুষও তেমনি ভুলভ্রান্তির মধ্য দিয়ে সত্যকে চিনে নেয় ।জীবনের সকল দ্বার ‍রূদ্ধ করে দিলে হয়ত ভ্রান্তিকে ঠেকানো যায়,কিছু সত্যকে পাওয়া যায় না ।আকরিক ধাতু যেমন মাটির সঙ্গে মিশে থাকে ,মাটি পরিষ্কার করে তাকে পেতে হয়,জীবনের পথেও তেমনি সত্য আর মিথ্যা মিশে আছে ।জীবন-অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হয় ।এ জন্যে কাঙ্কিত হিরণ্ণয় সত্য উদঘাটনে বাস্তবের কঠেন ও দুর্গম পথে প্রয়োজন নিঃশঙ্ক দীপ্ত পদচারণা ।

ছোটখাটো ভুলভ্রান্তি সত্যকে পাওয়ার পথে প্রতিবন্ধক বা অন্তরায় নয়,বরং ভুলভ্রান্তি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেই মানুষ প্রকৃত সত্যকে উদঘাটন করে ।

 দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি সত্য বলে ,আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি?

ভাব সম্প্রসারণ ; মিথ্যা ও ভুলভ্রান্তিকে রুখতে মনের ঘরের দরজাগুলো বন্ধ করে রাখলৈ,তাতে সত্যও প্রবেশ করতে পারব না ।প্রকৃত সত্যকে জানাতে হলে মিথ্যাকে ও চিনতে হবে ।কারণ জগতের মাঝে সত্য-মিথ্যা ভালোমন্দ একসাথে মিলেমিশে থাকে ।

পার্থিব জগতে সত্য ও মিথ্যার রয়েছে পাশাপাশি সহাবস্থান।সত্য ও মিথ্যা পরস্পর এমন অবিচ্ছেদ্য যে,নিরবচ্ছিন্ন সত্য ওমিথ্যাকে পৃথক পৃথতকভাবে উদঘাটন করা সম্বব নয় ।আলোর সঙ্গে অন্ধকার যেমন সম্পক্তৃ ,তেমনি সত্যও নানা ভুলভ্রান্তি মিথ্যা দ্বারা আবৃত ।জীবনে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দুর্গম পথে চলতে চলতে এসব ভুলভ্রান্তি ও মিথ্যাকে অপসারিত করেই মানুষকে সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয় ।অজস্র ভুল ভ্রান্তিকে অতিক্রম করলেই যথার্থ সত্যের সন্ধান মেলে ।যেমন –অন্ধকারের মধ্যেই আলোর উজ্জলতা দরে পড়ে ,তেমনি ভ্রান্তির মোহাবরনকে ছিন্ন করলেই সত্যের জ্যোতির্ময় রূপ ধরা পড়ে ।শিশু যেমন আছাড় খেতে খেতে হাঁটতে শেখে ,মানুষ তেমনি ভুলভ্রান্তির মধ্য দিয়ে সত্যকে চেনে নেয় ।জীবনের সব দ্বার বন্ধ করে হয়েতো ভ্রান্তিকে ঠেকানো যায়,কিন্তু সত্যকে পাওয়া যায় না ।আকরিকে যেমন কোনো একটি মূল্যবান ধাতু অন্যান্য সাধারণ অপজাত ধাতুর সাথে মিশে থাকে,সেসব অপ্রয়োজনীয় ধাতুকে পরিষ্কার করে তাকে পেতে হয় ,জীবনের পথেও তেমনেই সত্য আর মিথ্যা মিশে আছে ।গভীর জীবন –অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হয় ।অজস্র ভুলই প্রকৃত সত্যকে চিনিয়ে দেয় ।

ভুলভ্রান্তি সত্যকে পাওয়ার পথের প্রতিবন্ধক বা অন্তরায় নয়;বরং ভুলভ্রান্তি হতে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেই মানুষ প্রকৃত সত্যকে উদঘাটন করে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button